শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
আপনি কি রাজশাহীতে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ খুঁজছেন ? আপনার বা আপনার পরিবারের শিশুর যে কোন সমস্যায় দেখা করতে পারেন ডাঃ আবদুল্লাহ আল মামুন স্যারের সাথে।
ডাঃ আবদুল্লাহ আল মামুন, এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমএস (শিশু সার্জারি) ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ইংল্যান্ড থেকে MRCS (পার্ট-বি) সম্পন্ন করেছেন। নবজাতক, শিশু সার্জারি এবং শিশু ইউরোলজির ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও আধুনিক চিকিৎসা জ্ঞানের সমন্বয়ে তিনি অসংখ্য জটিল অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী-তে কর্মরত থেকে শিশুদের জন্য বিশেষায়িত সার্জারি সেবা প্রদান করছেন। গবেষণা ও প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসার প্রতি তাঁর আগ্রহ তাঁকে একজন নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসক হিসেবে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
ডাঃ আবদুল্লাহ-আল-মামুন একজন নিবেদিতপ্রাণ ও দক্ষ পেডিয়াট্রিশিয়ান ও পেডিয়াট্রিক সার্জন। তার সেবা গুলো হলো-
- পেডিয়াট্রিক সার্জারি,
- পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি,
- নবজাতক সার্জারি,
- পেডিয়াট্রিক কোলোরেক্টাল সার্জারি,
- পেডিয়াট্রিক টিউমার সার্জারি,
- পেডিয়াট্রিক নিউরোসার্জারি,
- পেডিয়াট্রিক ল্যাপারোস্কোপি
- পেডিয়াট্রিক সিস্টোস্কোপি,
- জন্মগত অস্বাভাবিকতার জন্য কসমেটিক সার্জারি ইত্যাদি
উপরে উল্লেখিত বিষয় সমূহে বিশাল অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং আল্লাহর রহমতে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা ও অসাধারণ দক্ষতার মাধ্যমে শত শত সফল অপারেশন সম্পন্ন করেছেন। চলমান গবেষণা এবং প্রমাণ-ভিত্তিক চিকিৎসা অনুশীলনের মাধ্যমে তিনি শিশুদের সর্বোত্তম অস্ত্রোপচার সেবা দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ডাঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। তার যোগ্যতা গুলো-
- এসএসসি (পুলিশ লাইন স্কুল)
- এইচএসসি (যশোরের ক্যান্টনমেন্ট কলেজ)
- এমবিবিএস (রাজশাহী মেডিকেল কলেজ-২০১৫সালে)
- শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে, যা পূর্বে ঢাকা শিশু হাসপাতাল নামে পরিচিত ছিল, এমএস রেসিডেন্সি কোর্সে ২০১৬ সালে যোগদান করেন।
তিনি তার কর্মজীবন জুড়ে বিএসএইচআই-তে তার কাজ এবং রোগীদের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। এমএস রেসিডেন্সি চলাকালীন ডাঃ মামুন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে (বিসিএস) যোগদান করেন এবং বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা প্রদান করেন। ডাঃ মামুন তার একাডেমিক এবং গবেষণা দক্ষতার সাথে আপ টু ডেট ছিলেন, যার ফলে তিনি ২০২৩ সালে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসএইচআই থেকে পেডিয়াট্রিক সার্জারিতে এমএস ডিগ্রি অর্জন করতে সক্ষম হন। তিনি যুক্তরাজ্যের রয়েল কলেজ অফ সার্জনসে এমআরসিএস ওএসএস-এর জন্যও পড়াশোনা করছেন। এখন তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত এবং নিয়মিত শত শত চ্যালেঞ্জিং অপারেশন করেন। তিনি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন এমন শিশুদের জন্য আউটডোর সার্ভিস বজায় রাখেন। ডাঃ মামুন এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের পড়াতে পছন্দ করেন, আরএমসিএইচ-তে এফসিপিএস এবং এমএস প্রশিক্ষণার্থীদের পরামর্শদাতাও।
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এই ব্যক্তির ব্যতিক্রমী ইতিহাস রয়েছে, যেমনঃ
- তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অসংখ্য প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন এবং
- অত্যন্ত সম্মানিত গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।
- তিনি বাংলাদেশ শিশু সার্জন সমিতির (APSB) সদস্য হিসেবেও মর্যাদাপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- ২০২৫ সালে তিনি বাংলাদেশে অস্ত্রোপচারের চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের আধুনিক অস্ত্রোপচার সেবা প্রদানের জন্য “শিশু সার্জারি কেন্দ্র” প্রতিষ্ঠা করেন।
এই সংস্থার লক্ষ্য বাংলাদেশে শিশু সার্জারির অবকাঠামো এবং মানবসম্পদ উন্নত করা। তার লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য সর্বশেষ অস্ত্রোপচার সেবা নিশ্চিত করা।
শিশু বিশেষজ্ঞ বলতে কি বুঝায়?
শিশু বিশেষজ্ঞ হলেন যারা নবজাতক থেকে শুরু করে কিশোর বয়স পর্যন্ত শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি, পুষ্টি, বিকাশ, এবং আঘাত ও বিভিন্ন রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন। একজন শিশু বিশেষজ্ঞ মূলত জন্মের পর থেকে ১৮-২১ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু, কিশোর ও তরুণদের প্রাথমিক ও বিশেষ যত্ন প্রদান করে থাকেন।
শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে পেডিয়াট্রিশিয়ান বলা হয়।
কেন শিশুর জন্য আলাদা বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন?
শিশুদের শারিরিক ও মানসিক অবস্থা প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই শিশুদের চিকিৎসার জন্য আলাদা দক্ষতা প্রয়োজন। তার কয়েকটি কারণ এখানে উল্লেখ করা যায়ঃ
- শিশুদের শারীরিক গঠন এবং তাদের শরীরে ওষুধের প্রতিক্রিয়া বড়দের থেকে ভিন্ন। একজন শিশু বিশেষজ্ঞ এই ভিন্নতাগুলো বোঝেন এবং সঠিক ডোজ ও চিকিৎসা দিতে পারেন।
- একটি শিশু বিশেষজ্ঞকে শিশুর রোগ, পুষ্টি, এবং শারীরিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ জ্ঞান দেওয়া হয়।
- শিশুরা সংবেদনশীল এবং তাদের বিভিন্ন রোগ বা জন্মগত সমস্যা হতে পারে, যার জন্য দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসার প্রয়োজন
- শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা একজন শিশু বিশেষজ্ঞ নিশ্চিত করেন।
- জ্বর, ডায়রিয়া, অ্যালার্জি বা জন্মগত যেকোনো সমস্যার জন্য একজন অভিজ্ঞ শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন।
কখন শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে?
আপনার শিশুকে নিয়ে কখন একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাবেন তা নির্ভর করে আপনার শিশুর বয়স ও রোগের উপর। একজন সচেতন অভিভাবকের উচিত শিশুর যে কোন রোগের লক্ষণ দেখামাত্র একজন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া। গর্ভাবস্থায় বা শিশু জন্মের পর পর ই একজন বিশেষজ্ঞ নির্বাচন করে রাখা ভালো, তাতে যে কোন সমস্যায় দ্রুত ডাক্তারের কাছে নেওয়া যায় এবং জটিলতা না তৈরি হয়। শিশুর বয়স ও অবস্থা অনুসারে এখানে তা আলোচিত হলোঃ
- গর্ভাবস্থায় ১৮-৩০ সপ্তাহের মধ্যে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ নির্বাচন করে রাখা ভালো। শিশুর জন্মের পর পর ই চেক আপ করানো জরুরি।
- জন্মের সময় কম ওজন, অকালে জন্ম নেওয়া বা সিজারিয়ান ডেলিভারির পর বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হলে শিশু বিশেষজ্ঞ এর নিকটে পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
- নবজাতকের নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে টিকা, পুষ্টি ও বৃদ্ধির সঠিক পথনির্দেশনা নিশ্চিত করার জন্য শিশু বিষজ্ঞের নিকটে যাওয়া উচিত।
- কোন শিশুর শরীরের তাপমাত্রা যদি ১০৩ ফারেন-হাইট হয় তবে শিশু বিশেষজ্ঞ তৎক্ষনাৎ জরুরি।
- জ্বর যদি ৪-৭ দিন স্থায়ী হয় তখন আপনার শিশুর জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ দেখানো দরকার।
- জ্বরের সাথে ফুসকুড়ি, ত্বক লালচে, কাশি, বা শ্বাস কষ্ট থাকলে দ্রুত একজন শিশু বিশেষজ্ঞ দেখানো জরুরি।
- চোখ লাল হওয়া, বা পেটে ব্যথার মতো লক্ষণ থাকলে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের নিকটে যেতে হবে।
- শিশুর যদি শ্বাস নিতে কষ্ট হয় বা শ্বাস অনিয়মিত হয়, তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত বা অস্বাভাবিক হয়, তাহলেও শিশু বিশেষজ্ঞ দেখাতে বিলম্ব করবেন না।
- অনেক সময় খেলতে গিয়ে শিশু কোন কিছু গিলে ফেলে, বের করতে না পারেন তখন দেরি করা উচিত নয়, অবশ্যই দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের নিকটে যাওয়া উচিত।
- যদি শিশু অস্বাভাবিক আচরণ করে বা অন্য কোনো লক্ষণ দেখা যায় যা আপনাকে চিন্তিত করে, তবে যেকোনো সময় শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
- পেট ব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠ্য কাঠিন্য হলেও শিশুকে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ দেখানো উচিত।
- কিশোরকালীন সময়ে শিশুদের বিভিন্ন হরমোন জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। তখন তাদের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ দেখানো উচিত, যেন ভবিষ্যতে জটিল পরিস্থিতি না হয়।
একজন অভিজ্ঞ শিশু বিশেষজ্ঞের প্রয়োজনীয়তা
প্রতেকটি পরিবারে শিশু একটি অমূল্য সম্পদ। একজন শিশুর সুস্থ্য স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠা অন্যতম একটি জরুরি বিষয়, আর এই শিশুর সঠিক বিকাশ ও নিরোগ স্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত চিকিৎসা এবং পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- শিশুদের অনেক সময় সাধারন জ্বর বা ঠান্ডা লাগা জটিল কোন রোগের কারনে হতে পারে। তাই সব স্ময় সচেতন থাকা এবং একজন শিশু বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে নেওয়া উচিত। যেন সঠিক সময় সঠিক রোগ নির্ণয় করা যায়।
- শিশুর জন্মের পর পর হঠাৎ করে অসুস্থ্য হতে পারে, এমতাবস্থায় একজন বিশেষজ্ঞ শিশু ডাক্তার জরুরি।
- শিশুর বয়স, ওজন, উচ্চতা ও বৃদ্ধির ধারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন।
- শিশুর সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ঘুম, মানসিক স্বাস্থ্য ও পড়াশোনার ভারসাম্য বজায় রাখতে অভিজ্ঞ ডাক্তার পরামর্শ দেন। এতে অভিভাবকগণ সচেতন হতে পারেন।
কেন যাবেন ডাঃ আবদুল্লাহ আল মামুনের স্যারের কাছে?
- নবজাতক, শিশু সার্জারি ও শিশু ইউরোলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি (এমএস, এমআরসিএস) অর্জন করেছেন।
- জটিল ও চ্যালেঞ্জিং শত শত অস্ত্রোপাচার সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন।
- সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসা প্রদান করেন।
- শিশুদের জন্য আলাদা চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগে অত্যন্ত যত্নবান ও মনোযোগী।
- অভিভাবক ও রোগীর আস্থা অর্জনই তাঁর মূল লক্ষ্য।
- বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত থেকে সহজেই সেবা পাওয়া যায়।
চেম্বার
| চেম্বার নং ১ | চেম্বার নং ২ |
| পপুলার ডায়াগস্টিক সেন্টাররুম নং- ৯২২, ৯ম তলা, ভবন-১ হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষীপুর, রাজশাহীপ্রতিদিন দুপুর ৩টা থেকে রাত্রী ৮টা।মোবাইলঃ 01623-38-1973 | শিশু সার্জারী সেন্টার রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল ঝাউতলা মোড়, লক্ষীপুর, রাজশাহীমোবাইলঃ 01623-38-1973 |

