জন্মগত পা বাঁকা (ক্লাব ফুট/ মুগুর পা)
অনেক বাচ্চা বাঁকা পা (পায়ের পাতা) নিয়ে জন্মগ্রহণ করে, যেটাকে ক্লাব ফুট (TEV) বলা হয়। মজার ব্যপার হলো, এরকম বাচ্চাকে সঠিক চিকিৎসা করা হলে, একদম সুস্থ মানুষের মত চলা – ফেরা করতে পারে, স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে।
ক্লাব ফুটে পায়ের গোড়ালির হাড়ের অবস্থাগত তারতম্যের জন্য ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে থাকে, যা গলফ খেলার স্টিক বা ক্লাবের মতো দেখায়। তাই এর নামকরণ হয়েছে ক্লাব ফুট।
কিছুকাল আগেও ক্লাব ফুটের খুব ভালো কোনো চিকিৎসা ছিলোনা। বর্তমানে ক্লাব ফুট চিকিৎসার জন্য গ্রহনযোগ্য পদ্ধতি হলো ‘পনসেটি মেথড’।
জন্মের পরপরই এই চিকিৎসা শুরু করতে হয়। জন্মের প্রথম সপ্তাহে এই চিকিৎসা শুরু করলে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

পনসেটি মেথডে ৩-৪ সপ্তাহে শিশুর পায়ে ৪-৫টি প্লাস্টার করতে হয়। প্রত্যেক সপ্তাহে প্লাস্টার পরিবর্তন করতে হয়। অনেক বাচ্চার ক্ষেত্রে ছোট একটা অপারেশন ও লাগতে পারে। এরপর কিছুদিন পায়ে বিশেষ জুতা ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক সময়ে পনসেটি মেথডে চিকিৎসা শুরু করলে ৯৫ ভাগ ক্ষেত্রে ক্লাব ফুট সম্পুর্নভাবে ভালো হয়ে যায়। তাই, এরকম রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করা শিশুকে নিয়ে আতংকিত না হয়ে জন্মের ৭ দিনের মধ্যে শিশু সার্জারী অথবা শিশু অর্থোপেডিক্স বিভাগে যোগাযোগ করলে কাংখিত ফল পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।
আরও পড়তে পারেন....
No related posts.