শিশুদের হার্নিয়া: ভুল ধারণা, বিপদ ও সময়মতো অপারেশনের গুরুত্ব – একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা

হার্নিয়ানামা:

হার্নিয়া নিয়ে কতগুলো ভুল ধারনা

১. হার্নিয়া শুধুমাত্র বড়দের রোগ,

২. হার্নিয়া এক একা ভালো হয়ে যায়।

৩. বাচ্চা বড় হলে হার্নিয়ার অপারেশন করতে হয়

৩. হার্নিয়া ঔষধে ভালো হয়

৪. হার্নিয়া অপারেশন না করলে কোনো ক্ষতি হয়না

এই যে গোলগাল কিউট বাবুটার হার্নিয়া ধরা পড়ে ৩ মাস বয়সে,  কিন্তু এলাকার লোক- জনের পরামর্শে অপেক্ষা করতে থাকে নিজে নিজে ভালো হয়ে যাওয়ার! 

কিন্তু, ৮  মাস বয়সে হঠাৎ  অন্ডথলি ও কুচকিসহ হার্নিয়ার জায়গাটা ফুলে ওঠে। পানিপড়া, তেল মালিশ কিছুতেই কিছু হয়না। পায়খানা বন্ধ হয়ে যায়, পেট ফুলে ওঠে, সাথে বমি হতে থাকে। 

এরপর শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শে হাসপাতালে আগমন। 

অত:পর  দ্রুত অপারেশন শুরু করে দেখা গেলো হার্নিয়ার স্যাকের ভিতর খাদ্যনালীর নিচের অংশ ( সিগময়েড কোলন) অনেকটা ঢুকে আছে ও ফুলে গেছে। হয়ত অপারেশন করতে দেরী হলে নাড়ীটা পচে যেত ও কেটে ফেলে দেয়া লাগত। আল্লাহর রহমতে ভালোভাবে অপারেশন সম্পন্ন হয়েছিল।,

 আজ ঈদ পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাতে এসেছিল  বাবুটা।

হার্নিয়া যেকোনো বয়সে হতে পারে, তবে বাজে ব্যাপার হলো, যত ছোট বয়সে এটা হয়, তত বেশি রিস্ক। ধরা পড়ার কয়েক দিনের মধ্যে অপারেশন করা ভালো। এটা পেট কেটে অথবা ল্যাপারোস্কোপি (ক্যামেরার সাহায্যে)  করা যায়। অপারেশন করার কয়েক ঘন্টা পরেই বাচ্চা স্বাভাবিক খাবার খেতে পারে ও সুস্থ হয়ে বাড়িতে চলে যেতে পারে।অপারেশন এর দাগ খুজেও পাওয়া যায়না।

শেয়ার করুন:

চেম্বার

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার

রুম নং- ৯২২, ৯ম তলা, ভবন-১
হোল্ডিং নং-৬১৭, লক্ষীপুর, রাজশাহী
প্রতিদিন দুপুর ৩টা থেকে রাত্রী ৮টা।

শিশু সার্জারী সেন্টার

রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল
ঝাউতলা মোড়, লক্ষীপুর, রাজশাহী